ঘরেই বানিয়ে নিন টক দই

ঘরেই বানিয়ে নিন টক দই

দই একটি দুগ্ধজাত খাবার ও দুধের সমান পুষ্টিকর খাবার। টক দই অত্যন্ত পুষ্টিকর, এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ইত্যাদি। টক দইতে দুধের চাইতে বেশি ভিটামিন ‘বি’, ক্যালসিয়াম ও পটাশ আছে। এতে কার্বোহাইড্রেট, চিনি ও ফ্যাট নেই। টক দই খাওয়ার উপকারিতা অনেক। এটি রোগ প্রতিরোধ করতে ও রোগ সারাতে সাহায্য করে। নিয়মিত টক দই খাওয়া শুরু করলে এর  ফল পাওয়া যায় সাথে সাথে। অনেক মানুষেরই পছন্দের খাবারের দই থাকে। তবে কেউ কেউ এ খাবারটিকে এড়িয়ে চলেন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খেলে স্বাভাবিক থাকে রক্তচাপ। অন্ত্র ভালো থাকে। সর্দি-জ্বর এড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ওজন হ্রাস ও হজমের সহায়তায় দই অতুলনীয়। এছাড়াও দই হৃদরোগের ঝুঁকি দূর করে ও ধমনি প্রাচীরের পুরুত্ব হ্রাস করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে। আর গ্রীস্মের প্রচণ্ড উত্তাপে কিছুটা স্বস্তি আনতেও টক দইয়ের গুণাগুণ অসীম। তাই আজ আপনাদের জন্য ঘরেই টক দই পাতার রেসিপি দেয়া হলো।
চিত্রঃঘরেই পাতুন টক দই
ঘরেই পাতুন টক দই
উপকরণঃ
১। আধা লিটার দুধ
২। দইয়ের বীজ ১ টেবিল চামচ(আগের দই অথবা ২ চামচ ভিনেগার অথবা ২ চামচ লেবুর রস)।
৩। মাটির হাঁড়ি ১টি
৪। পানি ১/২ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালীঃ
১। দুধে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট জ্বাল দিন। দুধে বলক এলে আঁচ কমিয়ে মৃদু আঁচে আরো কয়েক মিনিট জ্বাল দিন। দুধ মাঝেমধ্যে নাড়তে হবে যাতে হাঁড়ির তলায় ধরে না যায়। দুধ ঘন হলে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নাড়তে থাকুন।
২। দুধ কিছুটা কুসুম গরম থাকতে দইয়ের বীজ দিয়ে ভালো করে নেড়ে মাটির হাঁড়িতে বা একটি পরিষ্কার পাত্রে সারারাত ঢেকে রেখে দিন। সকালে দই হয়ে যাবে। সাধারণত চার-পাঁচ ঘণ্টা পর দই জমে যায় । দই জমে গেলে ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে তুলে রাখুন ঘরে পাতা টক দই।
মনে রাখবেন, ফ্রিজে দই কখনও পাতবেন না। ফ্রিজে ব্যাকটেরিয়া কাজ করতে পারে না।

বাজারের বেশিরভাগ দই গরুর দুধ দিয়ে তৈরি। সাধারণত এ ধরনের দইয়ে ফ্লেভার বা চিনি থাকে না। চিকিৎসকেরা সাধারণত চিনিবিহীন প্রাকৃতিক দই খাওয়ার পরামর্শই দিয়ে থাকেন। আপনি চাইলে আলাদা চিনি, মধু বা ফল মিশিয়ে খেতে পারেন। ফ্যাট সমৃদ্ধ ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে প্রায় ৮২ কিলোক্যালরি, লো ফ্যাট দইয়ে রয়েছে ৫৬ কিলোক্যালরি ও ফ্যাটবিহীন দইয়ে রয়েছে ৫৪ কিলোক্যালরি। ফ্যাট সমৃদ্ধ দইয়ে রয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ ফ্যাট। এটি দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিবারণ করে ও ধীর গতিতে খাবার হজম করে। নিয়মিত টক দই খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

No comments:

Post a Comment

নারকেল তেল দিয়েই দূর করুন খুশকি!

নারকেল তেল দিয়েই দূর করুন খুশকি! নারকেল তেল দিয়েই দূর করুন খুশকি! শীত, গরম বা বর্ষাকালেও খুশকির যন্ত্রনা যেন মেটে না। পার্লারের আহাম...

Our Popular Posts