কিভাবে তৈরী করবেন মচমচে পেঁয়াজ বেরেস্তা
আমাদের বাংলাদেশে যে কোন বড় ধরনের (মশলা বেশী) রান্না করা হয় তাতে যে উপকরন ব্যবহার করা হয় তা হচ্ছে, বেরেস্তা। বেশীর ভাগ খাবার রান্না শেষে এবং পরিবেশনের আগে এই বেরেস্তা ছিটিয়ে দেয়া হয়। এই বেরেস্তা হচ্ছে আসলে পেঁয়াজ ভাঁজা। লবন না দিয়ে হালকা আঁচে পেঁয়াজ(পাতলা করে গোল গোল) ভেঁজে নিলেই বেরেস্তা হয়ে যায়।এই জিনিসটি শুধু নানারকম রান্নার উপকরণ হিসেবে নয়, খাবার সাজাতেও এর জুড়ি নেই। কিন্তু সেটা যদি ঠিকমতো না ভাজা হয় তাহলে খাবারের রঙের সাথে সাথে স্বাদের কিন্তু কমতি চলে আসে। জানি সবাই পারেন তবু অনেকের বেরেস্তা ঠিকমতো ভাজা হয়না আবার মচমচে ও থাকে না। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে ভাজলে বেরেস্তা কালচে হবেনা আর মচমচে থাকবে।
| মচমচে সোনালি পেঁয়াজ বেরেস্তা |
- পেঁয়াজ (গোল গোল করে, পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন)
- তেল (পরিমান মত)
- সংরক্ষণের জন্য কাচের বা ঢাকনাযুক্ত বয়াম।
যেভাবে করবেনঃ
১। প্রথমে কয়েকটি পেঁয়াজ নিতে হবে। পেঁয়াজ খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ধারালো বটি বা ছুরি দিয়ে খুব মিহি করে কুচি করতে হবে। কুচিগুলো সব কাছাকাছি হতে হবে। কোনোটা মোটা কোনোটা বেশি চিকন করলে অর্ধেক পুড়ে যাবে, বাকি অর্ধেক নরম থাকবে।
২। কুচি করা হলে পেঁয়াজের দ্বিগুণ তেল দিয়ে গরম করে পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন। অল্প তেলে ভাজলে অনেক সময় নরম থাকে। মাঝারি আঁচে দুতিন মিনিট ভাজুন। ভাজার শেষের দিকে কম আঁচে ভাজবেন। শেষের দিকে খুব দ্রুত রং হতে থাকে।
৩। পুরাপুরি হালকা লাল (বাদামি রং ) হওয়ার আগে পেঁয়াজ তুলে ফেলবেন। বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত চুলায় রাখলে পুড়ে যাবে এবং তিতা লাগবে।
৪। ভাজা হলে পেপার টিস্যুর উপর রাখুন যেন অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় ।
পোলাও, বিরিয়ানি, রোস্ট, কাবাবসহ বিভিন্ন খাবারে ব্যবহারে করা যায় এই বেরেস্তা। আর স্পেশাল রান্নায় পেয়াজঁ বেরেস্তা থাকবে না তাই কি হয়!
বেরেস্তা সরক্ষনঃ
গরম ভাপ চলে গেলে পরিষ্কার তারপর বক্স , কাচের/প্লাস্টিকের বয়াম বা জিপ লক ব্যাগে ভরে মুখ বন্ধ করে সাধারণ তাপমাত্রায় রেখে দিন ।
No comments:
Post a Comment