কোরবানির ঈদে সুস্থ থাকতে অবশ্যই করুন এই কাজগুলো!
![]() |
| সুস্থ্য থাকতে করণীয় |
কোরবানির দিনঃ
১. দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ পশু জবাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ঠিক করে দিয়েছে। সেসকল নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করুন।২. সেরকম স্থান পাওয়া সম্ভব না হলে, বর্জ্যগুলো যেখানে-সেখানে (পুকুরে, ড্রেইনে, রাস্তায়, খালে বা নদীতে না ফেলে সঠিক ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য পুঁতে ফেলুন।
সত্যি কথা বলতে এসব জৈব বর্জ্য থেকে খুব ভাল কম্পোস্ট সার হতে পারে।
৩. পরিচ্ছন্নতায় ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করলে , নিজের দিকে খেয়াল রাখুন। খালি হাতে ব্লিচিং পাউডার ধরবেন না। ত্বকের ক্ষতি হবে। ব্লিচিং পাউডারের বাষ্প সরাসরি ফুসফুসে গেলে, সেটাও আপনার ক্ষতির কারণ হবে।
৪. মাংস কাটার সময় সাবধান থাকুন। ধারালো ছুরিতে হাত পা কাটার ঝুঁকি ছাড়াও প্রচন্ড জোরে হাড় কাটতে গিয়ে নিজের হাতে, হাতের জয়েন্টে, কোমরে ব্যথা পেতে পারেন।
৫. অনেক সময়, হাড়ের টুকরো ছুটে এসে চোখে ঢুকতে পারে। সাবধান থাকুন।
৬. পরিচ্ছন্ন স্থানে মাংস কাটুন।
৭. সম্ভব হলে, গ্লাভস ব্যবহার করুন। কারণ আপনার হাতে কোন কাটা অংশ থাকলে সেদিক দিয়ে ইনফেকশনের সম্ভাবনা প্রবল।
মাংস রান্নার সময়েঃ
১. রান্নার আগে ভালভাবে ধুয়ে নিন।২. দীর্ঘ সময় ধরে মাংস সেদ্ধ করুন। এতে করে মাংসে থাকা জীবাণু ও কৃমির ডিম ধ্বংস হবে।
৩. শিক কাবাব জাতীয় খাবার বা আধা সেদ্ধ মাংস কম করে খাবার চেষ্টা করুন। এতে পাকস্থলীর ক্যান্সার ও টিনিয়াসিস রোগের ঝুঁকি কমবে।
৪. বাড়তি সতর্কতা হিসেবে কৃমির ঔষধের একটি ডোজ ( পরিবারের সকল সদস্য এমনকি গৃহ পরিচারিকা সহ সকলে) সম্পন্ন করুন। কেননা গরু, খাসির কলিজায় থাকা বিশেষ ধরণের কৃমির ডিম আপনার শরীরে প্রবেশ করলে তা থেকে আপনার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
৫. যাদের হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, ডিসলিপিডেমিয়া ( রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য) আছে, তারা দয়া করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করুন। লাল মাংস আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। খুব অল্প করে মাংস খান।

No comments:
Post a Comment